পরিবারে রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক আবহে বড় হয়েছেন নাজনীন সাথী। বড় ভাইয়ের হাত ধরে এসবে বিচরণ করেছেন। তাই জীবনকে উল্টে-পাল্টে দেখার সুযোগ সৃজনশীল চর্চায় প্রাণীত করেছে তাকে। তিনি লিখে চলেছেন জীবনের খণ্ড খণ্ড গল্পের বুননে এপিক কথামালা। বিভিন্ন লিটল ম্যাগ ও সাহিত্য পত্রিকায় লিখছেন নিয়মিত। ‘আমাজান লিলি’ তার প্রথম গল্পগ্রন্থ। যেটি ২০২০ এর একুশে বইমেলায় প্রতিকথা প্রকাশনী থেকে বেরিয়েছে।

নাজনীন সাথী এর লেখা:

করুনা নয় করোনা

মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে পশ্চিমে কাঁটাসুর যাবার পথে হাতের বায়ে ময়ূর ভিলা। এর ঢাল বেয়ে নেমে গেলে লতিফ রিয়েল এস্টেট। হাউজিং এর নাম গালভরা হলেও খুব সাজানো গোছানো...

পারিজাতের ছায়ায়

রাস্তার পাশে সবুজ লাউয়ের মাচায় মানুষের চোখমুখ আঁকা, কালিঝুলি মাখা মাটির হাঁড়ি। মাচার নিচে তাকাতেই চোখে পড়ে কচি কচি লাউয়ের ঝুলে থাকা। বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে...

যাপিত জীবনের পেইন্টিং

প্রতিকথা’র এবারের আয়োজন এই সময়ের ১০ জন কথাসাহিত্যিকের গল্পভাবনা। কেন তাঁরা গল্প লেখেন, গল্প লিখে আসলে কী হয়, গল্প কেমন হওয়া উচিত, বাংলা গল্প কতদূর...

অনন্তলোকের পথে

ইয়াসমিন হক একটি সৃজনশীল স্কুলের শিক্ষক। স্কুলে ললিতকলার বিভিন্ন বিষয়ের ক্লাস হয়, তার মধ্যে নাচ-গান, ছবি আঁকা এসব তো আছেই। এর বাইরে শিশুদের বুদ্ধিবৃত্তিক অনেক...