নিমাই চন্দ্র মণ্ডল কবিতা লেখেন মৃন্ময় মণ্ডল নামে। লেখালেখির অভ্যাস এখনকার হিসেবে শৈশব থেকে। দশম শ্রেণিতে যখন পা পড়ল তখন একটি পরু খাতা পদ্য আর গল্পে ভরে গেল। কিন্তু একাত্তরে শরণার্থী হয়ে ভারতে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা ছিনিয়ে নিয়েছিল সেই খাতা। কবি তাঁর জীবনের চেয়ে সেই খাতাকে মূল্যবান মনে করতেন। সেই থেকে শোক-সন্তপ্ত হৃদয়ে শরণার্থী অবস্থায় পুনরায় পদ্য নির্মাণে মন দিলেন। একাত্তর পরবর্তী স্বাধীন ভূমিতে রাজনীতি ও সাহিত্য সংস্কৃতি নিয়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে মেতে ওঠেন। পেশা হিসেবে শিক্ষকতা বেছে নিয়েছিলেন। সরকারি কলেজে চাকরি করার সুবাদে দেশের নানা প্রান্তের মানুষের সাথে সখ্য গড়ে তোলার সুযোগ ঘটেছে। আজীবন সাহিত্য চর্চায় নিজেকে সমর্পণ করার ইচ্ছা পোষণ করেন কবি। কবির গর্ব তার গ্রামকে নিয়ে। খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার মাহমুদকাটি গ্রাম। এই গ্রামে পাঁচতলা ভবন বিশিষ্ঠ লাইব্রেরি আছে। দেশ-বিদেশের জ্ঞানী-গুনী ও জ্ঞানান্বেষীরা এই গ্রন্থাগারের বিচিত্রমুখী কার্যক্রম দেখে মুগ্ধ হয়ে যান।

মৃন্ময় মণ্ডল এর লেখা:

মানুষ ভুলে যায়

ধবল মৃত্তিকা জানে দূর থেকে দূরে দেখা বৈদগ্ধ প্রেক্ষিত কাছে এসে পাশে বসা ছড়িয়ে আঙ্গুল সবকিছু ছুঁয়ে দেখা আনন্দে ব্যাকুল কিছু কিছু মৃত স্মৃতি জাগে...